সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে ফেঞ্চুগঞ্জে বিকাশ এজেন্টদের কাছে টাকা পৌঁছে দিতে যাওয়ার পথে সংঘটিত আলোচিত ডাকাতির ঘটনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক রহস্যজনক তথ্য।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ মে সকালে একটি প্রাইভেটকারে করে ৭টি ব্যাগে মোট ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে রওনা দেন কোম্পানির কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। মোগলাবাজারের লালমাটিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর মোটরসাইকেলযোগে আসা দুর্বৃত্তরা গাড়ি থামিয়ে ভয়ভীতি ও মারধরের মাধ্যমে ৫টি ব্যাগে থাকা ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
তবে ঘটনার পর তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি বুঝতে পারার পরও গাড়ির গতি কমিয়ে ডাকাতদের সুযোগ করে দেওয়া হয়। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো— টাকাবাহী গাড়ির নিরাপত্তায় থাকা স্কর্ট সদস্যরা ঘটনার সময় গাড়ির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন না!
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ডাকাতদের সঙ্গে আগাম যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গাড়িতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্কর্ট সদস্যসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, টাকাবাহী গাড়িটি বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর প্রতিষ্ঠানের এবং এর সিলেট ডিলার হিসেবে রয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা— এটি কি সত্যিকারের ডাকাতি, নাকি ভেতরের লোকজনের যোগসাজশে সাজানো কোনো পরিকল্পনা?
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















