সিলেটে মা-ছেলেকে হত্যায় তানিয়া-মামুন দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সিলেটে মা-ছেলেকে হত্যায় তানিয়া-মামুন দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশের সময় : ১১/০৫/২০২৩ ০২:৪৪:৪৩ AM

Share
60

সিলেট নগরের মীরাবাজার খারপাড়ায় মা-ছেলেকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে আসামিদের দু’জনকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) সিলেটের অতিরিক্ত মহানগর ২য় আদালতের বিচারক মো. নূরে আলম ভূঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন। 

আদালতের পিপি মোহাম্মদ জুবায়ের বখত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গৃহপরিচারিকা তানিয়া আক্তার ও তার স্বামী ইউসুফ খান মামুন। মামুন খানের গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশায়। 

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ৩০ মার্চ রাতে সিলেট নগরের মীরাবাজার খারপাড়া ‘মিতালী ১৫/জে’ বাসার নীচতলার একটি ফ্লাটে রোকেয়া বেগম (৪৫) ও তার ছেলে রর্বিউল ইসলামকে (১৬) জবাই করে হত্যা করা হয়। পরদিন ১ এপ্রিল বাসা থেকে মা ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের পাশ থেকে আহত অবস্থায় ৫ বছরের ছোট শিশু রাইসাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। হত্যাকারীরা রাইসাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে গিয়েছিল। নিহত রোকেয়া সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর কলকলি গ্রামের হেলাল মিয়ার স্ত্রী। 

এ ঘটনায় নিহতের ভাই জাকির হোসেন অজ্ঞাত চার জনের বিরুদ্ধে সিলেট কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

এরপর ওই বছরের ১০ এপ্রিল কুমিল্লা থেকে পিবিআই’র হাতে আটক হন তানিয়া আক্তার ও তার স্বামী ইউসুফ খান মামুন। তারা উভয়ে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। 

এদিকে, ঘটনাস্থল একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী নিহত রোকেয়া বেগমের মেয়ে রাইসার। তারও জবানবন্দিও রেকর্ড করেন আদালত। আদালতে রাইসা ও আসামিদের জবানবন্দি হুবহু মিলে যায়। 

আদালতের পিপি মোহাম্মদ জুবায়ের বখত বলেন, চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই। ২০১৯ সালের ১৯ মে তদন্ত শেষে আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই’র পরিদর্শক দেওয়ান আবুল হোসেন। ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি অত্র আদালত চার্জ গঠন করে বিচারকার্য শুরু করেন। দীর্ঘ শোনানীতে ২৩ জন স্বাক্ষির মধ্যে ১৯ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। 


সিলেট প্রেস / ১১ মে ২০২৩/আ


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০২৩-০৫-১১ ০২:৪৪:৪৩