বন্ধুকে অপহরণের পর হত্যা, মুক্তিপণ আদায়

  • প্রকাশের সময় : ২১/০৫/২০২৩ ১১:২২:১৭ AM

Share
74

নাটোরে রুবেল হোসেন নামের এক যুবককে অপহরণের পর হত্যা করে তারই দুই বন্ধু তারেক রহমান ও হৃদয় হোসেন। এরপর বন্ধুকে মাটিচাপা দিয়ে ঢাকায় গিয়ে বন্ধুর বাবার কাছে ফোন করে অপহরণের কথা বলে মুক্তিপণ আদায় করেন। এ ঘটনার ছয় মাস পর গতকাল শনিবার রাত ১২টার দিকে নিহত রুবেলের মরদেহ উত্তোলন করেছে পুলিশ।

এদিকেএ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বন্ধু তারেক ও হৃদয়কে ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদের নাটোরে আনা হয়।

নিহত রুবেল হোসেন নাটোর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর আমহাটি এলাকার রুপিজ উদ্দিনের ছেলে। আর গ্রেফতারকৃত হৃদয় হোসেন নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং তারেক রহমান নাটোর সদর উপজেলার রুয়েরভাগ এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাটোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানান, রুবেল হোসেন, তারেক রহমান এবং হৃদয় হোসেন তিনজন বন্ধু। গত বছরের ১১ নভেম্বর হৃদয় এবং তারেক মিলে রুবেলকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করার জন্য। পরে তাকে তারেকের রুয়েরভাগ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে রুবেলকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর হত্যা করেন তারা।

পরে রুবেলের মরদেহ তারেকের বাড়ির পেছনে মাটিচাপা দিয়ে ঢাকায় চলে যান দুই বন্ধু। ঢাকায় গিয়ে রুবেলের বাবাকে মোবাইল ফোনে অপহরণের কথা জানিয়ে মুক্তিপণ দাবি করেন। রুবেলের বাবা পর্যায়ক্রমে তাদের ৪০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান।কিন্তু রুবেলকে ফিরিয়ে না দেওয়ায় গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রুবেলের বাবা বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন, বলেন ওসি।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ মে গোয়েন্দা শাখা পুলিশ মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ ঢাকার দক্ষিণখান থানায় অন্য একটি মামলায় ওই দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতারকৃত তারেক এবং হৃদয়কে নাটোর থানার এ মামলায় নাটোরে নিয়ে আসে।

তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, একজন ম্যাজিস্ট্রেটের তত্তাবাধনে তারেকের বাড়ির পেছন থেকে মাটিচাপা দেওয়া রুবেলের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয় বলে জানান আব্দুল মতিন।


সিলেট প্রেস / ২১ মে ২০২৩/ আ


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৩-০৫-২১ ১১:২২:১৭