সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একাধিক তীর জুয়াসহ নানা অপরাধের স্পট গড়ে উঠায় উদ্বেগে আছেন এই এলাকার সচেতন বাসিন্দারা।
জানা গেছে, জুয়ার টাকার লোভে স্কুল ও কলেজপড়ুয়া ছেলেরা এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। প্রশাসন মাঝে-মধ্যে এসব ক্রাইম স্পটে অভিযান চালালেও মূল অপরাধীরা থেকে যায় আড়ালে। ক্রাইম স্পটগুলোতে প্রকাশ্যে চলে ভারতীয় তীর শিলং জুয়া, টিকটিকি, জান্ডুমান্ডু, তিন তাস, কাটাকাটি ও ইন্ডিয়া লটারি। এছাড়াও এসব স্পটে একটি চক্র প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে। মাঝে-মধ্যে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারামারির ঘটনাও ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমায় আলোচিত আসরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর চাঁদনীঘাট মাছ বাজারের ভিতরে। সেই আসরটির মালিক জুয়া সম্রাট খ্যাত আল-আমিন।সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এতকিছুর পরও বন্ধ হচ্ছেনা জুয়া সম্রাট খ্যাত আল আমিনের জুয়ার আসর।
আল-আমিন অনেকসময় নিজেকে পুলিশের সোর্স অথবা নাট্য অভিনেতা হিসেবেও পরিচয় দিয়ে আসছে বলে জানা যায়।
দক্ষিণ সুরমার চাঁদনীঘাটের মাছ বাজারের ভিতরে তীর খেলার মদতদাতা হলো স্থানীয় এই ব্যক্তি
২০১৮ সালে তৎকালীন এডিসি জেদান আল মূসার নেতৃত্বে রাত ১ টার সময় জুয়ার আসর থেকে আল আমিন ও তার সহযোগীদের আটক করা হয়। পরদিন তাদেরকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আটককৃতদের সাজা প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
জুয়াড়ি আল আমিন জেল থেকে বের হওয়ার পর দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ীকে ম্যানেজ করে আবারও অপরাধ কর্মকান্ডে বেপরোয়া ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
অভিযোগ প্রকাশ, দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী পুলিশ ফাঁড়ীর সদস্যদের সাথে রয়েছে আল আমিন ও তার জুয়াড়ীদের গভীর সু-সম্পর্ক। যার ফলে এই জুয়াড়ীরা বেপরোয়া।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রশাসনের উদাসীনতায় বারবার সবকিছুর উর্ধে থেকে যাচ্ছে কুখ্যাত জুয়াড়ী আল আমিন।
এ ব্যপারে জানতে আল আমীনের মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ভাই অনেক দিন বন্ধ ছিল গতকাল চালু করেছি। কেমন চলছে জিজ্ঞাস করলে বলেন ভালই চলছে। এ কথা বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এ ব্যপারে দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হোসেন”র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা আইন বহির্ভূত কোন কাজ করে এমন ব্যাক্তির নিকট বিক্রি হয়ে যাইনি,আপনি আমাকে লোকেশন বলেন। শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করবো।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















