পবিত্র রমজান মাসেও সিলেট নগরীর বিভন্ন আবাসিক হোটেলে চলছে অসামাজিক কাজ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একের পর এক অভিযানের পরও আবাসিক হোটেলগুলোতে কিছুতেই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না । মহানগরীর বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলে চলছে নারীদের দিয়ে দেহব্যবসা। সর্বশেষ সিলেটের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৬ তরুণ-তরুণীকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
রবিবার (২৪ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে মহানগরীর বন্দরবাজারের সুরমা মার্কেটের ৪র্থ তলার হোটেল মেঘনা আবাসিক থেকে তাদের আটক করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ জানায়, রাত ১১ টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে আটক করে। পরে তাদের মহানগরীর কোতোয়ালী মডেল থানায় আবাসিক হোটেলকে পতিতালয় ও পতিতাবৃত্তিতে কাজে লাগানোর অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো: মাছুম মিয়া (২৬), বাবলা আহমেদ (১৮), মো: সবুজ মিয়া (২৭), সাথী বেগম (২২),মাহি আক্তার (২২), রুমা আক্তার রিংকী (২৮)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অফিসার) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ৬ জনের এসএমপি কোতোয়ালী মডেল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে (মামলা নং-৪৫) দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া আবাসিক হোটেলকে পতিতালয় হিসেবে ব্যবহার এবং পতিতাবৃত্তিতে আহ্বান জানানোর অপরাধে এ মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এরআগে শুক্রবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী হোটেল যাত্রীসেবা আবাসিকে অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে তাল তলায় হোটেল গুলশান, হোটেল সুফিয়া, হোটেল রহমান, বন্দরবাজারের সুরমা মার্কেটের হোটেল নিউ সুরমা আবাসিক ৪র্থ তলায়, বন্দরবাজারের হোটেল সিটি হার্ট আবাসিক, হোটেল মহানগর, জামে মসজিদের পাশে হোটেল নিরালা, লাল দিঘীর পাড়ে হোটেল ভাইভাই, হোটেল সোনালী, দক্ষিণ সুরমায় কদমতলি এলাকায় একাধিক সহ সিলেটের অধিক আবাসিক হোটেল গুলোতে দির্ঘদিন থেকে অসামাজিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।




















