থানায় নিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ক্রসফায়ারের হুমকি

  • প্রকাশের সময় : ১৭/০৫/২০২৪ ০৫:২৯:২৮ AM

ছবি-প্রতীকী

Share
50

অপহরণ, ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও গুলি করে হত্যার পর ক্রসফায়ার বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগে কেশবপুরের সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) কেশবপুরের মধ্যকুল গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সালমান আহম্মেদ শুভ অভিযোগটি পরিদর্শক পদমর্যাদার চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন যশোরের পুলিশ সুপারকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী ফিরোজ হক।

আসামিরা হলেন কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহির হাসান, কেশবপুর উপজেলার সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজ ও আলতাপোল গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ঘের ব্যবসায়ী সেলিমুজ্জামান আসাদ।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, কেশবপুরের মধ্যকুল গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন মুলগ্রাম, আবাসপোল ও মধ্যকুল মৌজার ৪৫০ বিঘা জমি ২১৪ জন মালিকের কাছ থেকে গত ২১ জানুয়ারি পাঁচ বছর মেয়াদি লিজ গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ওই জমিতে ঘের কেটে মাছ চাষে শুরু করেছেন। এর পাশে আবাসপোল, মধ্যকুল ও হাসাডাঙ্গার ১০০ জন জমির মালিক তাদের জমি সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মফিজকে লিজ দেন।

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে জাহাঙ্গীর হোসেনের এই ঘের দখলের জন্য মফিজ ও সেলিমুজ্জামান নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় কেশবপুর থানায় জিডি ও অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাননি জাহাঙ্গীর হোসেন।

গত ১ মে জাহাঙ্গীর হোসেনকে তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক থানায় ধরে নিয়ে আসেন কেশবপুর থানার অফিসার তরিকুল ও আবুল হোসেন। জাহাঙ্গীর হোসেন থানার অফিসার ইনচার্জের রুমে ঢুকে দেখেন মফিজ ও সেলিমুজ্জামান সেখানে বসে আছেন।

এ সময় জাহাঙ্গীরকে অফিসার ইনচার্জ জহির হাসান তার ঘেরের জমি মফিজ ও সেলিমুজ্জামানকে দিয়ে দিতে বলেন। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় জাহাঙ্গীরের কাছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৩০ লাখ টাকা দাবি করেন। ১৫ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে বিলের মধ্যে নিয়ে গুলি করে হত্যার পর ক্রসফায়ার বলে চালিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেন।


সিলেট প্রেস / ১৭ মে ২০২৪ / এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৪-০৫-১৭ ০৫:২৯:২৮