জাফলং জিরো পয়েন্টের পাথরও লুটপাট

  • প্রকাশের সময় : ১০/০৮/২০২৪ ০৯:৫৬:১৭ AM

ছবি-সংগৃহীত

Share
135

সরকার পতনের সুযোগে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ‘সাদাপাথর’ পর্যটন কেন্দ্রের মতো প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের পাথরও লুট হয়েছে। দুই কেন্দ্র থেকে কয়েকদিনে শত শত নৌকায় ৫০ কোটি টাকার পাথর হরিলুট করা হয় বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

এ অবস্থায় গতকাল বুধবার থেকে জাফলং ও মঙ্গলবার থেকে ভোলাগঞ্জে নজরদারি করছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি ছাত্র-জনতাও লুট রোধে কাজ করছে। পাথর রক্ষায় করা হয় মাইকিং।

স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সীমান্তঘেঁষা সাদাপাথর ও জাফলং পাথর কোয়ারি থেকে পাথর লুটে নামে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকেও শত শত নৌকায় এসে লোকজন পাথর লুট শুরু করে। 

একইভাবে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর কেন্দ্রেও চলে লুট। সেখানে ছাত্র-জনতা লুটেরাদের তাড়িয়ে দেওয়ার পর সেনাসদস্যরা অবস্থান নেন। কিন্তু জাফলংয়ে চলছিল বাধাহীন পাথর লুট। গতকাল থেকে জাফলং এলাকায় সেনাবাহিনী ছাড়াও স্থানীয়রা পাথর লুট রোধে কাজ শুরু করেন। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জাফলং থেকে পাথর চুরি না করতে মাইকিং করেছেন। জিরো পয়েন্ট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে বিএসএফ গুলি ছোড়ে বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

দুটি পর্যটন কেন্দ্রই পাথর কোয়ারি এলাকায়। সীমান্তঘেঁষা সাদা পাথর ও জাফলং পর্যটন কেন্দ্রে স্তূপ আকারে পাথর জমে উঠেছে। সেখানকার পাথরই পর্যটকদের আকর্ষণ করে। জাফলংয়ের বাসিন্দা আলাছ উদ্দিন জানান, দুই দিনে হিসাব ছাড়া পাথর লুট হয়েছে। এখন বন্ধ রয়েছে।  

অন্যদিকে সাদাপাথর পর্যটন বাজারে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় মালপত্র লুট করা হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, হামলায় তাদের প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পর্যটন বাজারের জিরো পয়েন্ট, মেঘের বাড়ি, শাহ পরান, জয় বাংলা ও সেই স্বাদ রেস্টুরেন্টেসহ কয়েকটি কসমেটিকসের দোকানও ভাঙচুর করা হয়। 

মেঘের বাড়ি রেস্টুরেন্টের মালিক সফাত উল্লাহ বলেন, দুর্বৃত্তরা তার প্রতিষ্ঠান থেকে একটি এসি, তিনটি ফ্রিজ, ২০০টি চেয়ার, ২০টি টেবিল ও দুটি জেনারেটরসহ আসবাবপত্র লুট করে। 


সিলেট প্রেস / ১০ আগস্ট ২০২৪/ এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৪-০৮-১০ ০৯:৫৬:১৭