সিলেটের ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ে নৌকা শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক ৯ জনের নামে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজি মামলার রেকর্ড করা হয়েছে।
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে চাঁদাবাজির চেষ্টাকালে নয়জনকে আটক করেছে স্থানীয়রা।
পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। গতকাল বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত দুইটার দিকে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কোম্পানীগঞ্জে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির সঙ্গে সংযোগ করা ধলাই নদ দিয়ে শ শ বারকি নৌকা চলাচল করে। রাতের বেলা এসব নৌকা জড়ো করে চাঁদার বিনিময়ে আসামিরা সাদা পাথর এলাকা থেকে পাথর চুরির পন্থা প্রকাশ করছিলেন। চুরির পাথর বহনকালে বারকি নৌকাপ্রতি চাঁদা ধার্য করে তা উত্তোলন করার সময় বারকি নৌকা শ্রমিকসহ স্থানীয় জনতার নেতৃত্বে বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৯ জনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ জনকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানিগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ বদিউজ্জামান এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে জানান , চাঁদাবাজির ঘটনায় আটকদের নামে কোম্পানীগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। যার নং ২১ তারিখ ১৯/২৪।
আটকদের মধ্যে তিনজন নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করলেও এর কোন সত্যতা পাইনি পুলিশ।
স্থানীয় কালিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা ছাত্র সমন্বয়ক নুর আহমদ বাদি হয়ে এ মামলাটি কোম্পানীগঞ্জ থানায় দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে নয়জনকে আটক করে জেল হতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন, কোম্পানীগঞ্জ সদর ওয়ার্ড শাখা জামায়াতের সভাপতি আরিফ হাসান জুবায়ের, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান আহমদ, পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সভাপতি সেলিম মিয়া ও তাদের ৬ সহযোগী। এরা হচ্ছেন- আবু সাঈদ, মো. রাজন মিয়া, দিদার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, নাসির মিয়া ও সোলায়মান।
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া




















