সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক হারে বাড়ছে চুরি। গত দুই সপ্তাহ থেকে অনন্তত ১০/১৫ টি বাড়ি ঘরে চুরি সংগঠিত হয়েছে। শুধু বাড়ি ঘর নয় মসজিদের মাইকের মেশিন, গরু ছাগল,পানির মটর,কলের পাম্প সহ প্রয়োজনীয় সকল জিনিস নিয়ে যাচ্ছে চুর চক্র। কে বা কারা রাতের আধারে এ চুরি করে বেড়াচ্ছে। কোন কোন মসজিদে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ছবি দেখা গেলে ও সনাক্ত করা যায় নি চুরকে।
সরজমিনে দেখা যায় গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে কচুয়াবহর (নোয়াটিলা) গ্রামের মো এনামুল হক ছানা মিয়ার বসত ঘরের গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে চুর। তার পর ঘরের দরজা খুলে সঙ্গবদ্ধ চুর ঢুকে ঘরের আলমারি তছনছ করে মুল্যবান সোনা ও টাকা খুঁজে। যদিও এই ঘরের বাস কারী এমদাদুল হক শিপু ছয় মাস আগে কানাডা চলে যাওয়াতে তেমন কিছু পায়নি চুর চক্র। তবে ঘরের মালামাল তছনছ করে ফেলে যায়। এভাবে বেশ কয়েকটি ঘরে চুরি করে চোর চক্র। পাশের বাড়ির মাসুদ আহমদ চৌধুরীর বাড়িতে ও অন্য একটি বাড়িতে তার আগের রাতে হানা দেয় চুর চক্র। বাড়ির লোকজন জেগে যাওয়াতে সফল হতে পারে নি।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর (বড়বাড়ী)মৃত মছব্বীর আলীর ঘরে ঠিক একই কায়দায় চুর চক্র প্রবেশ করে। অস্ত্র মুখে জিম্মি করে তার মেয়ে ও স্ত্রী র চার ভরি স্বর্ণ ও ব্যাংকে জমানো দীর্ঘ দিনের এক লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে জানাজানি হলে প্রশাসন সন স্হানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ ঘটনা দেখে ভিন্ন ভাবে চিন্তা করেন। তার পরের দিন উওর ফরিদপুর এক ব্যাক্তির বাড়িতে একই কায়দায় ঢুকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
পুলিশ তার পর কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। জনগন এজন্য প্রশসন কে দায়ী করছেন। তারা বলছেন পুলিশ ডিউটি না করার ফলে এমন ঘটনা বেড়ে চলেছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান তার এই থানায় মাত্র দুই দিন হয়েছে। তিনি ঘটনা গুলো শুনেছেন, তিনি আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে ও চরি ডাকাতি ঠেকাতে ব্যবস্হা গহন করছেন বলে প্রতিবেদক কে জানান। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা রয়েছেন বলে জানান।
শহীদ আহমদ চৌধুরী,ফেঞ্চুগঞ্জ




















