সাজাপ্রাপ্ত সম্পাদক–প্রকাশক, আইন লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ

সবুজ সিলেট ও সিলেটের মানচিত্র পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

  • প্রকাশের সময় : ২৫/১২/২০২৫ ০৮:৪৬:৫৩ PM

Share
104

দৈনিক সবুজ সিলেট ও দৈনিক সিলেটের মানচিত্র পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের দাবিতে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে পত্রিকা দুটির সম্পাদক ও প্রকাশকের মুজিবুর রহমান এর বিরুদ্ধে আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া, ডিক্লারেশন সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন এবং প্রেস সংক্রান্ত বিধিবিধান অমান্যের একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবেদনকারী নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উক্ত দুইটি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে তিনি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা হারান—যা সংবাদপত্র ও ডিক্লারেশন সংক্রান্ত আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

আবেদনে দাবি করা হয়, ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা একাধিক মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয়ে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫৬ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। মামলার নম্বর মেট্রো দায়রা ৩৬০২/২০১৯, সুত্র নং সি আর মামলা নং-৪০০/২০১৮। উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি ঐ মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় আইনগতভাবে পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা হারিয়েছেন।

আবেদনকারী আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো স্বীকৃত প্রেসের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও নিয়মিতভাবে পত্রিকা প্রকাশ করছেন, যা প্রেস ও প্রকাশনা সংক্রান্ত বিধির সরাসরি লঙ্ঘন। এছাড়া ডিক্লারেশন গ্রহণের সময় জাল কাগজপত্র দাখিল করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়—যা নিয়ে অতীতেও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠেছে।

আবেদনে ইঙ্গিত করা হয়, এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। এতে করে সংবাদপত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

আবেদনে জেলা প্রশাসকের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৈনিক সবুজ সিলেট ও দৈনিক সিলেটের মানচিত্র পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মামলার সার্টিফায়েড কপি, রায়ের নথি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।


সিলেট প্রেস / এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৫-১২-২৫ ২০:৪৬:৫৩