সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় অবৈধ পণ্যের প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাফলং সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র প্রবেশের খবরে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও বাস্তবে চোরাচালান থামছে না।
রাতের ঘন কুয়াশায় বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল বাড়ালেও জাফলংসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ মাদক, অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং ভারতীয় নানা ধরনের চোরাই পণ্য দেশে ঢুকছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সীমান্ত চোরাচালান বন্ধে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক নিয়মিতভাবে প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করলেও কার্যকর ফল মিলছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা উত্তর ডিবি ও সংশ্লিষ্ট থানার কিছু অসাধু সদস্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নতুন পুলিশ সুপার দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আশ্বাস দিলেও, তার ঘোষণার প্রায় ১০ দিন পরও সীমান্তবর্তী থানাগুলোতে কোনো কার্যকর নির্দেশনা পৌঁছায়নি।
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন থানার ওসি রদবদল হলেও নবাগত ওসিরা দায়িত্ব বুঝে ওঠার আগেই চোরাচালান সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ওসিদের নামে সীমান্ত এলাকার চোরাকারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত বখরা আদায় করছে লাইনম্যানরা।
স্থানীয়ভাবে আলোচিত ব্যক্তি ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল মান্নান ওরফে মান্নান মেম্বারকে সীমান্ত চোরাচালানের মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এলাকাবাসী। একসময় কসমেটিকস চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে তার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভারত থেকে কম্বল, মাদক, অস্ত্র, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য দেশে প্রবেশ করছে। চলবে,,,,,,,,,,
স্টাফ রিপোর্টার




















