ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে চরম অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেরপুরের নকলা উপজেলার সহকারী নির্বাচন অফিসার পার্থ প্রতীম দে-কে বিভাগীয় শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। বিভাগীয় মামলার সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাঁর মূল বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করে ২১ হাজার ৫৭০ টাকার স্থলে ১৬ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে. এম. আলী নেওয়াজ স্বাক্ষরিত গত ১২ মে (২০২৬) এক প্রজ্ঞাপনে (স্মারক নং- ১৭.০০.০০০০.০৮৩.২৭.০০১৯২৬-৫৩০) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, নকলা উপজেলা নির্বাচন অফিসের প্রিন্টারের টোনারসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ের ভাউচার নিয়ে গত ২০ জানুয়ারি (২০২৬) তৎকালীন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. নজরুল ইসলামের (বর্তমানে সিলেটে কর্মরত) সাথে সহকারী উপজেলা নির্বাচন অফিসার পার্থ প্রতীম দে'র চরম বাদানুবাদ ঘটে।
বিষয়টি অফিসের প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হওয়ায় তৎকালীন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সহকারী উপজেলা নির্বাচন অফিসার পার্থ প্রতীম দে'র (পরিচিতি নম্বর: ৩১৬০৮০৮৬) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(ক) ধারা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে ০১/২০২৬ নম্বর একটি বিভাগীয় মামলা দায়ের করেন।
দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে গত ১০ মে (২০২৬) শুনানি গ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে। শুনানি শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(২)(খ) উপ-বিধি অনুযায়ী তাকে মূল বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিতকরণের এই লঘু শাস্তি প্রদান করা হয়।
অফিসিয়াল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে বার্তা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



















