মামলায় অব্যাহতি পেলেন জকিগঞ্জের দুই নির্বাচন কর্মকর্তা!

  • প্রকাশের সময় : ০৭/০৭/২০২৩ ১২:৪৫:০৫ PM

Share
50

জকিগঞ্জের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সীল দেয়া ব্যালট পেপার, নগদ টাকা, ফেনসিডিল বোলতসহ গ্রেফতার সেই দুই জন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মামলার দায় থেকে নির্দোষ হিসাবে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বুধবার এ রায় প্রদান করেন জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শ্যামকান্ত সিনহা। 

খালঅস পাওয়া কর্মকর্তারা হচ্ছেন জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (রিটানিং কর্মকর্তা) সাদমান সাকিব ও কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমান।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন ও  অ্যাডভোটেক কাওছার রশিদ বাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সিএসআই বাহার উদ্দিন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের দিন নির্বাচন চলাকালীন সময়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  (সিলেটের জেলা প্রশাসক) কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিলেটের পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, সিলেটের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শুকুর মাহমুদ মিয়ার উপস্থিতিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল হকের সরকারি গাড়ি তল্লাশি করে কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্বাচনী প্রতিকে সীল দেয়া ৪০০ ব্যালট পেপার, সীল ছাড়া ৪০০ ব্যালট পেপার, মুড়ি বই ৪টি, ইউপি  সদস্য নির্বাচনের ব্যালট সীল দেয়া ও সীল ছাড়া ৪০০ ও মুড়ি বাই ৪টি, সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচন ব্যালট সীল দেয়া ও সীল ছাড়া মোট ৪০০ ও মুড়ি বই ৪টি, ব্যালেট বাস্কের লক ৮টি, মোবাইল ফোন ৪টি, নগদ ১ লাখ ২১ হাজার ৫০০ টাকা ও ১টি ফেনসিডিল বোতল উদ্ধার করা হয়।

এ সময় রিটানিং কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিব ও কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমানকে আটক করা হয়। 

এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানার এএসআই মো. আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে জকিগঞ্জ থানায় মামলা ( নং০২) রেকর্ড করেন। নজিরবিহীন এ ঘটনায় সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরই কয়েকদিন পর জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দু’জন আসামি জামিনে মুক্তি পেলেও নির্বাচন কমিশন দু’জনকে সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত করে। 

দু’টি ইউনিয়ন পরিষদেই একই বছরে ১৫ জুন পুণনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

জকিগঞ্জ থানা পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ইন্সপেক্টর উজায়ের আল মাহমুদ আদনান ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর  আদালতে চার্জশিট প্রদান করেন।  

এই মামলায় সিলেটের বিদায়ী পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পিপিএম, বিদায়ী সিলেটের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাকুর মাহমুদসহ ১৭জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষী প্রদান করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার দুই কর্মকর্তাকে নির্দোষ হিসাবে অব্যাহতি দেন আদালত।


সিলেট প্রেস / ০৭ জুলাই ২০২৩/ এফ কে


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৩-০৭-০৭ ১২:৪৫:০৫