হৃদয়ের উপজাতি বন্ধুরাই তাকে অপহরণ করে হত্যা করে মাংস খেয়ে ফেলেছে। দুই লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিয়েও বাচাঁনো যায়নি সন্তান কে, হত্যা করে মাংস রান্না করে খেয়ে ফেলেছে ৫ চাকমা বন্ধু।
১৩ দিন আগে হৃদয় নামে ছেলেটিকে অপহরণ করেছিল তারা। তাদের দাবি অনুযায়ী হতভাগা হৃদয়ের পরিবার মুক্তিপণ হিসেবে দুই লক্ষ টাকা তাদেরকে দিয়েও হৃদয়ের মুক্তি মিলাতে পারেনি। অবশেষে হৃদয়ের হাড় কদলপুর আশরাফ শাহ মাজারের পূর্ব পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।
এর সাথে জড়িত ৫ চাকমাকে র্যাব ৭ এর একটি টিম চাঁদগাও থেকে গ্রেফতার করে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বুধবার সকালে পাওয়া যায় হৃদয়ের হাড়, এবং তারা স্বীকার করেছে হত্যার পরে তারা মাংস রান্না করে খেয়ে ফেলেছে ,মাথার খুলি আর পায়ের হাড় শুধু বাকি ছিল, সেখান থেকেও মাংস তুলে খেয়েছে, হাড় সেটি পাহাড়ে মাজারের পাশে রেখে দিয়েছে।
সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উগ্র উপজাতি জনগোষ্ঠী সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এরা পোকা মাকড় থেকে শুরু করে পৃথিবীর সব প্রাণীই খেয়ে ফেলতে পারে নিমিষে। পাহাড়ী, উপজাতি কিংবা ভিন্নধর্মী বন্ধু বুঝেশুনে বানাবেন বলে তারা জানান।




















