কামিল খুন হয় গত মাসের ২১ তারিখ রাতের বেলায়। এরপর বহু চেষ্টা করে প্রায় পনেরো দিনের মাথায় এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড তোতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিল কানাইঘাট থানা পুলিশ। তার ৩/৪ দিন পর ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় আরেক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এজাহারভুক্ত বাকি পাঁচ আসামী এবং সন্দেহের তালিকায় থাকা অন্যান্য আসামী অধরা থেকে যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক মাস পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আজ প্রধান আসামী আলাউদ্দিন উরফে আলাই, দ্বিতীয় আসামী নিজাম উদ্দি এবং আরেক আসামী শরীফ উদ্দিন আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদেরকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। এক মাস পাঁচ দিন পলাতক থেকে বিভিন্নভাবে বাদিকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছিল, সে সাথে তারা চেয়েছিল হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পলাতক অবস্থার কষ্ট আর সহ্য করতে না পেরে আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে। ফলে এখন কারাগারে আছে কামিল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামী।
এজাহারভুক্ত বাকি দুই আসামী এবং পুলিশের সন্দেহের তালিকায় থাকা অন্যান্য আসামী এখনো পলাতক অবস্থায় আছে বা অধরা রয়েছে। কামিল হত্যার খুনীদের বিচার চাই। আশা করি, খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।
সিলেটপ্রেস প্রতিবেদক




















