নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী দিন কয়েক ধরেই সর্দি আর কাশিতে ভুগছিলেন তিনি। বাবার কাছে সর্দির ওষুধও চেয়েছিলেন।অভিযোগ তাঁকে কাফসিরাপের বদলে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়। সেই ওষুধ খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ে মেয়েটি। পরের দিন সকালে তাঁর যখন ঘুম ভাঙে তখন তিনি দেখতে পান পাশেই শুয়ে রয়েছে বাবা।তাঁর পোষাক ছিল অবিন্যস্ত। সেই সময়ই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তাঁকে যৌন হেনস্থা করা হয়েছে। নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগ, গত ২৩ এপ্রিল রাতেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
নির্যাতিতা তরুণী সাহায্যের আর্জি নিয়ে হাত বাড়িয়েছিল তাঁর সৎমায়ের কাছে। অভিযোগ সেই মহিলা কোনও রকম সাহায্য করতে রাজি হননি। উল্টে নির্যাতিতা সৎমেয়েখকে বলেছিল বিষয়টা নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করতে না। পুলিশের কাছে গেলে ফল ভালো হবে না বলেও হুমকি দিয়েছিল।
এরপরই নির্যাতিতা একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল বলেই জানিয়েছে। সবশেষে নির্যাতিতা শৌচাগার পরিষ্কার করার সামগ্রী খায়। পাশাপাশি দ্বারস্থ হয় পুলিশের। বর্তমানে পুলিশের উদ্যোগেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিতা। সেখানেই তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে নির্যাতিতার বাবাকে।
বেঙ্গালুরুর এই ঘটনা সামনে আসার পর আবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশের নারী নিরাপত্তা। বেঙ্গালুরুর এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে মহিলা শুধু বাইরে নয় ঘরেও নিরাপদ নন। গার্হস্থ্য হিংসার স্বীকার হতে হচ্ছে দেশের অসংখ্য মহিলাদের।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক




















