আগামীকাল সোমবার নতুন বছরের প্রথমদিন। হেমন্ত পেরিয়ে শীতকাল চলছে। পৌষের ১৬তম দিনে শীত জেঁকে বসার কথা থাকলেও রাতে অনেক বাসাবাড়িতে ফ্যান চালিয়ে ঘুমোতে হয়। অনেক ঘটনার জন্মদিয়ে কালের পরিক্রমায় গত হয়েছে ২০২৩ সাল। আশা আকাঙ্ক্ষা ও বহু প্রত্যাশা নিয়ে দূর গড়ায় নূতন বছর। স্বাগতম ২০২৪ সাল।
ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০২৩ সাল অনেক ঘটনাবহুল। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে নানা ঘটনার সাক্ষী বিদায়ী বছরটি। বিশেষ করে রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক মন্দা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি- সব মিলিয়ে ঘটনাবহুল ছিল ২০২৩। বছরের শুরু থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল উত্তপ্ত। দেশের বড় দলের একটি বিএনপিসহ রাজপথে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন ছিল তুঙ্গে। সরকারপতনের একদফা দাবিতে সোচ্ছার ছিল বিএনপিসহ অধিকাংশ বিরোধী দল।
অন্যদিকে সরকারী দল আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে সক্রিয় ছিল মাঠে-ময়দানে। সভা, সমাবেশ, মিছিল, মিটিংয়ে উত্তাপ ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। দেশে সহিংসতার একাধিক ঘটনায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। বছরের শেষদিকে এসে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি ঘোষণা ও তার প্রয়োগের মধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তামাশা এবং নাটক আখ্যায়িত করে এ নির্বাচনী তফসিল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপিসহ অধিকাংশ বিরোধী দল। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এ নির্বাচেন অংশ নেয়।
আওয়ামী লীগ সরকার বলছে, আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশগুলোর মতো উচ্চ আয়ের দেশ হবে তাতে সন্দেহ নেই। শিল্প, শিক্ষা, কৃষি, ক্রীড়া ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নতি ঘটছে। চিরকালের খাদ্য-ঘাটতির দেশটিকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে রূপান্তর করা হয়েছিল। বিগত বন্যা, খরা এবং বৈশ্বিক নানা কারণে খাদ্য উৎপাদন বিঘ্নিত হয়েছে। চাল, আলু, পেঁয়াজ সহ নিত্যপণ্যের দাম হঠাৎ বেড়েছে। ২০২৩ সালে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল এই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দামে নাভিঃশ্বাস ছিল জনসাধারণের মধ্যে। বিশেষ করে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের চরম ভোগান্তিতে দিন কাটছে। টিসিবি’র ট্রাকের সামনে দীর্ঘ লাইন-ই বলে দেয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ কতটা অসহায়। বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এ সংকট সাময়িক। সরকার এ পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে কাজ করছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিতাকে রোহিঙ্গা সমস্যাটি একটু শ্লথ করে দিয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যা দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর সহসা গুরুতর চাপ সৃষ্টি করলেও সরকার তা সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করছে। অতীতে বিডিআর বিদ্রোহ ও পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সৃষ্ট সংকটের সময়েও শেখ হাসিনা সাহস ও দৃঢ় মনোবল নিয়ে তার মোকাবেলা করেন। এজন্যই দেশের মানুষের একটা বড় অংশের ধারণা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জিতে শেখ হাসিনা আরও একদফা ক্ষমতায় আসবেন। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্থিতাবস্থা বজায় রাখবেন। রোহিঙ্গা সমস্যার একটা শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক সমাধান আওয়ামী লীগ সরকারই করতে পারবে।
২০২৩ সালে শেখ হাসিনা সরকারের সাফল্য : ২০০৬ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩৭৮২ মেগাওয়াট। বর্তমান সরকারের সময়ে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২৫২২৭ মেগাওয়াট। ২০০৬ সালে মোবাইল ফোনের সিম ছিল ১৯ মিলিয়ন। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩.৫৩ মিলিয়ন। ২০০৬ সালে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৭৮ লক্ষ জন। বর্তমান সরকারের সময়ে এসে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৩ লক্ষ জন। ২০০৬ সালে ওয়ার্কিং ফোর্সে মহিলাদের অংশগ্রহণ ছিল মাত্র ২১.২%। বর্তমান সরকারের সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩.৪৪%। সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে সরকার। নারী, শিশু ও সেবাপ্রার্থীদের জন্য দেওয়া হচ্ছে ২৭ রকম ওষুধ ও সেবা। নদী ভাঙ্গন ও নবসৃষ্ট এলাকাসহ মোট ৩৬৯টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, ২৭৭৬টি হাট-বাজার উন্নয়ন, ১২৪৬টি সামাজিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। ২০০৬ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল (লাখে) ৩৭০ জন। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে কমে মাতৃমৃত্যুর হার ১৬১ জন। ২০০৬ সালে মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষার হার ছিল ৫৪%। বর্তমান সরকারের সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮.২৫ %। ২০০৬ সালে বেকারত্বের হার ছিল ৬.৭৭%। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে বেকারত্ব কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৬%।
২০০৬ সালে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ছিল মাসিক ১৪৬২ টাকা। বর্তমান সরকারের সময়ে তা দাঁড়িয়েছে ৮৩০০ টাকা। মুক্তিযোদ্ধার সন্মানী ভাতা ৯০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করেছে সরকার। উপকৃত হচ্ছে প্রায় ২ লাখ বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। ভবিষ্যতের স্মার্ট প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে শতভাগ শিশুকে উপবৃত্তির আওতায় এনেছে সরকার। ফলে বিনামূল্যে শিক্ষাসুবিধা পাচ্ছে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি শিশু। ২০০৬ সালে সেচের আওতাভুক্ত কৃষি জমি ছিল ২৮ লক্ষ হেক্টর। বর্তমান সরকারের সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৯ লক্ষ হেক্টর। ২০০৬ সালে কৃষি উৎপাদন ছিল ২ কোটি ৬১ লক্ষ টন। বর্তমান সরকারের সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৮০ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০০৬ সালে স্বাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ৪৫%। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে ৩০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫.৬%। ২০০৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৫,৬৭২টি। বর্তমান সরকারের সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১,১৮,৮৯১ টি। ২০০৬ সালে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক সংখ্যা ছিল ৩,৪৪,৭৮৯ জন। বর্তমান সরকারের সময়ে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬,৫৭,২০৩ জন। ২০০৬ সালে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল মাত্র ৯টি। বর্তমান সরকারের সময়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬টি। ২০০৬ সালে মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল ২১.৩০ লক্ষ মেট্রিক টন। বর্তমান সরকারের সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩.১৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
২০০৬ সালে চা উৎপাদন ছিল ৩৯ মিলিয়ন কেজি। বর্তমান সরকারের সময়ে চা উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ মিলিয়ন কেজি। ২০০৬ সালে লবণ উৎপাদন ছিল ৮.৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে লবণ উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২৩.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০০৬ সালে পোল্ট্রির সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৬ লক্ষ ২২ হাজার। বর্তমান সরকারের সময়ে তা দাঁড়িয়েছে ৫২ কোটি ৭৯ লক্ষ। ২০০৬ সালে নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা ছিল মাত্র ৫৫%। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে ৪৩.৭% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮.৮%। ২০০৬ সালে শিশু মৃত্যুর হার ছিল (প্রতি হাজারে) ৮৪ জন। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে ৪ গুণ কমে দাঁড়িয়েছে ২১ জন। ২০০৬ সালে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ০.২৩%। বর্তমান সরকারের সময়ে মোট জনগোষ্ঠীর ৭৩.৫৫% ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ২০০৬ সালে আইসিটি খাতে রপ্তানি ছিল ২১ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান সরকারের সময়ে ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৯ বিলিয়ন ডলার।
২০২৩ সালে যাদের হারিয়েছি : প্রতি বছরের মতো ২০২৩ সালেও এদেশের বহু কালজয়ী আমাদের ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। তারা হলেন, স্থপতি, ক্রীড়া সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবাশ্বের হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিনেতা এম খালেকুজ্জামান, স্বোপার্জিত স্বাধীনতাসহ অনেক ভাস্কর্যের শিল্পী শামীম সিকদার, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এ সংগঠক ও গুণীজন নূরে আলম সিদ্দিকী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক পঙ্কজ ভট্টাচার্য, বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়া ভাইখ্যাত নায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ওরফে ফারুক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খান (দাদা ভাই), দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক, জেমকন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা কাজী শাহেদ আহমেদ, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ খ্যাত পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদ চৌধুরী, দেশের প্রথিতযশা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক, ইত্তেফাকের এক সময়ের সম্পাদক ও সেনা নিয়ন্ত্রিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান।
এ বছর চলে যাওয়া গুণীজনদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আরও কয়েকজন হলেন-শহীদজায়া অধ্যাপক পান্না কায়সার, তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান এবং সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁঞা, লেখক, শিক্ষক ও সমাজসেবক সুফিয়া খাতুন, কবি আবু বকর সিদ্দিক, পুলিশের সাবেক আইজিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আনোয়ার, আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিজ্ঞানী সালিমুল হক, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান।
সদ্য বিদায় নেয়া বছরটিতে আন্তর্জাতিক ঘটনাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- রাশিয়া-ইউক্রেন ও হামাস-ইসরাইল যুদ্ধ। হামাসের অপারেশনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর হামলা চালানো শুরু করে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। যা এখনো চলমান। আন্তর্জাতিক হিসাব মতে প্রতিদিন গড়ে তিনশত মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত শিশুসহ ২১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হন।
ক্রিড়াঙ্গণেও ২০২৩ ছিল উল্লেখযোগ্য একটি বছর। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ এ বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিক ভারতকে রানারআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হতশ্রী পারফরমেন্সে ব্যাপক সমলোচনার মুখে পড়তে হয় ম্যানেজমেন্টকে। বিশেষ করে তামিম ইকবালের অবসর ইস্যুতে উত্তপ্ত ছিল ক্রিকেটপাড়া।
৭ জানুয়ারী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর-ই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগীতায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নতুন বছরে নতুন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে শিক্ষিত যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। পাঠ্যপুস্তকে মুদ্রিত অভিযোগকৃত অংশের সমাধান ও দেশের কৃষ্টি কালচার সামঞ্জস্য রেখে একটি সিলেবাস তৈরি করবে। যেই সিলেবাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নিজকে তৈরি করতে উৎসাহিত হবে। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দুর্নীতিকে জিরো পয়েন্টে এনে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি তরান্বিত হলে দেশ প্রকৃত সোনার বাংলা হবে। সমগ্র দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে। দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণ, মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট জাতীয়ভাবে সমন্বয় করা হলে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিতে শৃংখলা ফিরবে। নতুন বছরে নতুন সরকারের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা, দ্রব্যমূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখা, সুশাসন নিশ্চিত করে জনকল্যাণ ও দুর্নীতি মুক্ত প্রশাসন সৃষ্টি করা হলে স্মার্ট দেশ তৈরির পথ সুগম হবে।
জাবেদ এমরান




















