মধ্যনগরে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল শিক্ষকদের সিন্ডিকেট

  • প্রকাশের সময় : ১০/০৪/২০২৩ ০৬:৪২:৩৭ AM

Share
65

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার ১৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মধ্যনগর ক্লাস্টারের ৮৫টি বিদ্যালয়ের স্কুল সেক্টর রেসপন্স (সিএসএসআর) প্রকল্পের অধীনে সুরক্ষা বরাদ্দ থেকে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে স্থানীয় শিক্ষকদের একটি সিন্ডিকেট। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। 

এ প্রকল্পের অধীনে সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ের বিপরীতে ৩০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। যার মধ্যে গত বছর ১২ হাজার টাকা করে দিয়ে দেওয়া হয়। এবার বাকি ১৮ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। ওই টাকায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মালামাল ক্রয়ের কথা থাকলেও একটি সিন্ডিকেট করে মালামাল ক্রয় করা হয়েছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিয়েছেন, দিয়েছেন খালিসাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদ আলম, সাড়ারকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভূপতি রঞ্জন তালুকদারসহ আরো কয়েকজন। 

প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১৮ হাজার মধ্যে ১৪ হাজার মালামাল কেনা হয়েছে এবং বিদ্যালয় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার বাবদ ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে মর্মে ভাউচার তৈরি করা হয়েছে। মাসকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অখিল সরকার, বাট্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রমোদ বিশ্বাসের ভুয়া নাম ব্যবহার করা হয়েছে। 

এভাবে ৮৫টি বিদ্যালয়েই ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে ৪ হাজার করে মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার হাতিয়ে নিয়েছে সিন্ডিকেট।

মাসকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মলয় চন্দ্র সরকার বলেন, টাকা উত্তোলন করে টিমের হাতে শিক্ষক নেতাদের টিমের হাতে দিতে হয়েছে। পরে টিমের পক্ষ থেকে মালামাল কেনা হয়েছে। আর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বাবদ অখিলের ৪ হাজার টাকা টিমের পক্ষ থেকে পরিশোধ করার কথা রয়েছে।

বাট্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদুল সরকার বলেন,চার হাজার টাকা পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রমোদ বিশ্বাসকে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অখিল সরকার ও প্রমোদ বিশ্বাস জানিয়েছেন তারা কখনওই বিদ্যালয় পরিচ্ছন্নতার কাজ করেননি। আর বিদ্যালয় থেকে কোনো টাকাও পাননি।

সিন্ডিকেটের সদস্য খালিসাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধন শিক্ষক রাশিদ আলম বলেন,আমি এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত নই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানবেন্দ্র দাস বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সিএসএসআরের মালামাল ক্রয়ের সুযোগ নেই। আর সিন্ডিকেট হয়েছে কি না জানিনা।


সিলেট প্রেস / ১০ এপ্রিল/আ


কমেন্ট বক্স
সিলেটপ্রেস ডেস্ক

সিলেটপ্রেস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৩-০৪-১০ ০৬:৪২:৩৭