কারিগরি ত্রুটির কারণে দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোড শেড করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, “ঢাকাতেও লোডশেডিং দিতে হবে।”
রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তবে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটির নাম তিনি বলেননি।
দিনে-রাতে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন যেমন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, তেমনি সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা, পড়াশোনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় তারা চরম উদ্বেগ ও মানসিক চাপে দিন কাটাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর, অথচ এমন সময়ে বিদ্যুৎ সংকট তাদের পড়াশোনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে জেনারেটর বা বিকল্প ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছেন, যা সবার পক্ষে সম্ভব নয়।
সিলেটের এক সরকারি কলেজের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন “পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু লোডশেডিংয়ের কারণে তারা ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।”



















